পৃষ্ঠাসমূহ

সমালোচনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সমালোচনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

ডিটারেন্স থিওরি ও ওভারকনফিডেন্স বায়াস


 ডিটারেন্স থিওরি ও ওভারকনফিডেন্স বায়াসঃ

🧊🧊🧊🧊🧊🧊🧊🧊🧊🧊🧊🧊🧊


আধুনিক অপরাধবিজ্ঞানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হলো —ডিটারেন্স থিওরি এবং ওভারকনফিডেন্স বায়াস।


ডিটারেন্স থিওরি বলে: অপরাধী যদি মনে করে যে ধরা পড়ার সম্ভাবনা (Certainty) বেশি এবং শাস্তি যথেষ্ট কঠিন, তাহলে সে অপরাধ করবে না। এটি মূলত বাইরের নিয়ন্ত্রণ (পুলিশ, আইন, শাস্তির ব্যবস্থা) এর উপর নির্ভর করে।

শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

ইলেকট্রির গাড়ীর দিকে ঝোঁক বেড়ে যাচ্ছে তৈল সংকট ও মূল‍্যের উর্ধ্ব গতির কারণে

কোভিড মহামারীর সময় মার্চ ২০২০ থেকে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত চায়না  ২২০ বিলিয়নেরও বেশি ফেস মাস্ক রপ্তানি করেছিল যা চীনের বাইরে প্রতি ব্যক্তির জন্য গড়ে প্রায় ৪০টি মাস্কের সমান।

ঐ সময়  শুধুমাত্র মাস্ক রপ্তানি থেকেই চীনের আয় হয়েছে প্রায় ৩৪০ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ৫২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)।” ( source: https://medicalxpress.com/news/2021-01-china-exported-billion-masks.html) 



সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

পারস্যে যত বহিরাগত শাসনকাল

বাংলাদেশের বিভিন্ন টক শোতে কতিপয় বুদ্ধিজীবিদের ইরান তথা পারস‍্যের বিশেষ ভৌগলিক ও ঐতিহাসিক সুরক্ষা বৈশিষ্ঠ‍্য ব‍্যাখ‍্যা করার সময় বেশ কয়েকজনের মুখে একটা কমন ঐতিহাসিক ক্রুটি শুনলাম যা হলো - তারা বলতে চাইছেন পারস‍্য কখনও বহিঃশত্রু দখল করতে পারে নাই এবং আলেকজান্ডার দ‍্যা গ্রেট দখল করলেও অল্প সময় পরেই চলে যেতে বাধ‍্য হয়েছে গ্রীকরা …

কিন্তু টুকটাক ইতিহাস পড়ে সত‍্য মিথ‍্যা ভরা ইতিহাস দেখলেও কে কখন রাজত্ব করেছে এবং টাইম লাইনগুলো যে মিথ‍্যা নয় তা বোঝা যায় —
আলেকজান্ডার দ‍্যা গ্রেট খ্রিস্টপূর্ব ৩৩০ এ পারস‍্য দখল করে সেখান থেকে ভারতের দিকে অগ্রসর হয় এবং ভারত থেকে বিমুখ হয়ে ফিরে পারস‍্যে বসবাস করার সময়ই মারা যায় - পারস‍্যে তার শাসনামল ৭ বছর কিন্তু আলেকজন্ডার মারা যারার পর ( খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ ) তার অন‍্যতম সেনাপতি Seleucus I Nicator পারস‍্যে

মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫

সোনার হরিণের খাঁচায় বন্দী জীবন

 আমাদের সোনার বাংলাদেশে চাকুরী হল একটা সোনার হরিণ, লেখাপড়া তাই চাকুরী কেন্দ্রিক- সার্টিফিকেট সর্বস্ব!

ছোটবেলা থেকে মাথার মধ‍্যেও চাকুরীর প্রতি অমোঘ নেশা ঢুকিয়ে দেয়া হয় পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে!
কোনরকমে একবার একটা যুঁতসই চাকুরী জোগাড় করতে পারলে হয় , সেটাকে টিকিয়ে রাখাই জীবনের পরম ব্রত- যে কারণে প্রি- চাকুরী কালে যে তরুন/তরুণীটি টপমোষ্ট অনেষ্ট ও বিপ্লবী ছিল সেও চাকুরীতে অমোঘ দূর্নীতির বেড়ায় একটা টোকাও দেয়ার সাহস পায়না অথবা উর্ধ্বতনের সকল অনিয়ম-অত‍্যাচারে-শোষনের বিপক্ষে কিছু বলতে পারে না - হয় সে সহ‍্য করে কুঁড়ে কুঁড়ে মরে কিংবা এক সময় চলমান সব স্রোতে নিজেও ভেসে থাকে - ডোবা যাবে না , চাকুরী ছাড়া যাবে না …!

রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২০

গতকাল রাত জাগা

রাত জেগে “KINGDOM” এর সিজেন ২ শেষ করে ফেলেছি .... অন্ধকার নিঝুম পরিবেশে একা একা লিভিং রুমে বসে গভীর মনোযোগে দেখছিলাম প্রাচীন কোরিয়ার রাজা ও রাজত্ব আর প্লেগ বা মহামারীর সমন্বয়ে এক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত অসাধারণ কাহিনী ও নির্মাণ শৈলী। মাঝে মাঝে জানলার ফাঁক গলে আধখানা চাঁদ আর গভীর রাতের নীরবতায় চোখ রেখে ভাবছিলাম এই নীরবতায় কাছে দূরে কোথায় কোথায় কোন প্রান্তে  ঘাঁপটি মেরে যে বসে আছে করোনাভাইরাস (COVID-19) ।
হোয়াট এ টাইমিং টু রিলিজ KINGDOM , Season 2..
কি ভয়াবহ প্লেগ কনসপিরেসি !

শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২০

স্বপন ও করোনা

ঘুমিয়ে ছিলে, ভালোই ছিলে
কেম্নে জাইগা গেলে ?
দু তিনটে মাস যেতেই যেতে
বিশ্ব চিইন্না নিলে!

... স্বপনে করোনারে ছুটতে দেইখ্যা ডাক দিয়া জিগাইতেই ঠাডায়া এক চড় দিতে উদ্যেত হইয়া কইলো ‘ মশকরা মারাইতাছোস?, তোগো ব্রীসবেন এখনও লগ ডাউন হয় নাই দেইখ্যা আমারে থামাইতাসোস ... পাঠায় দিমু কইল্লাম রিজার্ভ ফোর্স ... ‘

মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

ছোট গল্প ও ...

‘ছোট গল্প’ হলো আমার কাছে সাহিত্যের সবচেয়ে নিগুঢ়াংশ। ছোট গল্প একজন গল্পকারের মস্তিষ্কে সমাজ থেকে সংগৃহিত সহস্র অসংগতির মাঝে সবচেয়ে যন্ত্রনা প্রদায়ক একটি বিষয়ের বা সুস্পষ্ট উপলব্ধির সুনির্দিষ্ট প্রকাশের অভিপ্রায়।

শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

সময় কাটে না !

প্রথমত : অনেক মানুষ আছে যাদের সময় কাটে না

দ্বিতীয়ত: কিছু মানুষ আছে যাদের কাছে সময়ের পরিমাণ খুব স্পষ্ট, পরিমাণমত নির্দিষ্ট কিছু কর্মকান্ড পছন্দ করে সেগুলো সম্পাদনের মাধ্যমে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে উৎকৃষ্ট পন্থায় সময় কাটায়।

শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০

ভবিষ্যত বাণী

বাংলার সক্রেটিস সকালে আজ একটু অভিজাত পাড়ায় পদব্রজে বের হয়েছিলেন। উদ্দেশ্য একজন বিশিষ্ট ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ যিনি একজন সফল গার্মেন্টস ব্যবসায়ী এবং কিছুক্ষণ হাঁটার তাকে পেয়েও গেলেন। অনেক কথা হলো পূর্ব পরিচিত ব্যাবসায়ী ব্যক্তিটির সাথে হাঁটতে হাঁটতে...
সেই আলোচনার চুম্বুকাংশ...

শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯

লেখা চুরি: শংকা ফর বোথ লেখক এবং প্রকাশক

‘বই’ - জগতে আমার মনে হয় সবচেয়ে প্রিয় জড়বস্তু,
নিজের প্রকাশিত বই চোখ মেলে দেখে যে আনন্দ বোধ হয়েছিলো তার কোন উপমা হয় না;
লেখক হতে পারে নি, ইদানীং বিনা ফরমায়েশে বলতে গেলে গল্প লেখাও হয় না... তাতে কি বইমেলা আসিতেছে , লেখক আর প্রকাশক গণ আমার স্ক্রলের পরতে পরতে ঝলক তো জাগাবেই চোখে...আমিও চোখ মেলে দেখিটেখি...
তেমনই চোখ বুলানোর ফাঁকে দেখলাম প্রকাশকের বিলাপ... আর বিলাপ করার মতই , তরুন নতুন লেখক কে যেন অন্যের গল্প চুরি করে পান্ডুলিপি বানিয়ে প্রকাশককে মুগ্ধ করে বইও প্রকাশ করে ফেলেছে, অন্তর্জালে কবিতা চুরির ঘটনা আজকাল আর মোটেও বিরল নয়, আমার মত নাম পরিচয়হীন পাতি লেখকের গল্পও চুরি করে প্রকাশ করেছে এমন এক আবিষ্কার নিজেই করে ফেলেছিলাম☹️...
কিন্তু চৌর্যবৃত্তিতো ভালোকথা নয়, এত্ত এত্ত বই প্রকাশ পায়, এক প্রকাশক কয়টা লেখা খুঁজে দেখবে আর-সম্ভবও নয়, ভালো কথা নয় কারণ ঐ সব চোরের কারণে নতুন প্রকৃত যোগ্য লেখকরা ও প্রকাশকদের কাছে অবিশ্বাসের বাঁশ খেতে বাধ্য হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

সময়ই সব, বছর কেবল সময়ের হিসাব বৈ কিছু নয়।

গতকাল ১৫ই মে ছিলো আমার জন্মদিন। অগনিত জনের শুভেচ্ছা বার্তা নিঃসন্দেহে আপ্লুত হবার মত। প্রযুক্তির এই সহজীকরণ বিষয়টি আমাকে আনন্দ দেয়, সহজে শুভেচ্ছা প্রদান এবং গ্রহন দুইই হয়ে যায়। শুভেচ্ছা প্রদানকারী প্রতিজন সুধীকে সম্মিলিতভাবে অভিনন্দন জানাই।

তবে এই দিবস , সময় , বছর নিয়ে আমার কিছু ভাবনা আছে। সে নিয়েই এই লেখার উদ্দেশ্য।

সময় কি? সময় একটি ডাইমেশন বলে দিলেই উত্তরটা সহজ হয়ে যায়। এই ডাইমেনশেনর সুনির্দিষ্ট শুরুর হিসাব এখনো  পুংখানুপুংভাবে হয়েতা হিসাব করা যায়নি ( তবে  বিজ্ঞানীদের চলমান ধারণা ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে এক বিগ ব্যাংগ থেকে সময়ের সৃষ্টি) ।

এই যে শব্দটি 'হিসাব' এইটিই আমার ভাবনার সূচনার সূতিকাগার। আমরা মানুষেরাই সভ্যতার সাথে সাথে সময়ের হিসাব রাখার জন্য বিভিন্ন পরিমাপ সৃষ্টি করেছি।
তার মধ্যে সর্বাধিক প্রচিলত সৌর বছর বা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এর পরিমাপটিতে সূর্যকে একবার পরিভ্রমন করতে পৃথিবীর যে সময় লাগে সেই সময়টাকে  মোটামুটি তুলনা করে এক বছর নাম দেয়া হয়েছে। আবার চন্দ্রের পৃথিবী একবার পরিভ্রমন সময়কে একিদন ধরে একবছরকে ৩৬৫দিন ধরা হয়েছে।
এই হিসাবটা মিলিয়ে একজন মানুষের জীবনের মোট জীবিত সময়কে ৩৬৫ দিন করে করে মোটামুটি ভাগ করা হয়।
এতো আমরা সবাই জানি।

শনিবার, ৪ আগস্ট, ২০১৮

আলোচনা: ৪/৮/২০১৮

এইতো  গতকালই একজনকে বলছিলাম-বিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা পথে নামুক সেটা কাম্য নয়, তারা শিশু; কিন্তু তাদের এই আন্দোলনে যে লজ্জা টা তারা প্রাপ্ত বয়স্কদের দিয়েছে তার তুলনা হয় না, সেটার দরকার ছিলো- তাছাড়া প্রাপ্ত বয়স্করা অনেক ভুলকে ভুলে গিয়েছিলো, সেই ভুল কিছু তারা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতেও পেরেছে।
কিন্তু কথায় একটা গ্যাপ ছিলো, দ্রুত ভুলে যাবার যে এক অমোঘ নিয়ম সেটা মনে ছিলো না। আর মনে ছিলো না নেতৃত্বহীন, নিয়ন্ত্রনহীন, চলমান রাজনীতির পাঠহীন একটা আন্দোলন কত ফাঁক ফোকঁড় গলে কত সহজে পলিটিসাইড হয়ে উঠতে পারে।
অথচ তাদের আন্দোলনে যে দাবী তা প্রতিটি জনগণেরই ভালোর জন্য। এ তো মোটেও কোন যুদ্ধ নয়, দাবীর বিষয়ে  তবুও কেনো পক্ষ বিপক্ষ ? বিষয় তো সবার জন্যই ভালো , বরং পক্ষ বিপক্ষ হতে পারে এই বলে যে শিশুরা কেনো এমন একটা রিস্কি কাজে অংশ নেবে। তথাপি চলছে পরিবহণ ধর্মঘট- যেন পক্ষ বিপক্ষ। মাঝে আবার ঘটনাক্রমে ভুলে মনে হয় বিপক্ষ এক শক্তি যেন ক্ষমতাও।
যে কোন যুদ্ধের শুরুতে কাগজে কলমে একটি পক্ষ  কিন্তু শক্তিশালী থাকে। সে আগ্রাসী হয়, ধারণা হয় সেই জয়ী হবে; কিন্তু যখন পরিস্থিতি অবলোকনে ঘটনাক্রমে সেই অবশ্যম্ভাবী জয়টি সুনিশ্চিত হবে না বলে পরিলক্ষিত হয়, তখন শুরু হয় নানা কূটচাল , আবির্ভাব হয় মিরজাফর টাইপ গুষ্ঠি। বৃটিশদের সাথে উপমাহাদেশের রাজা বাদশাহদের যুদ্ধ কিংবা আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকে তাকালেই সে সত্য স্পষ্ট হয়। পাকিস্তান সেই কূটচালটি দিতে কাছে টানে রাজাকার আলবদর ইত্যাদি গোষ্টীকে।
কিন্তু ছাত্রদের আন্দোলনতো যুদ্ধ নয়...পক্ষ বিপক্ষের প্রশ্ন নয়...সকলে পুনরায় বুঝতে শুরু করলো তারা কি কারণে অনিরাপদ সড়কে ভালো থাকে না...কেনো নিরাপদ সড়কের প্রয়োজন, লজ্জা পাবার জায়গা গুলো কোথায়...
কিন্তু লজ্জার মাত্রা অন্যদিকে প্রবাহিত হয়ে যায়...পক্ষ বিপক্ষের টানা পোড়ন বড় দায়...এরপর থেমে যাবে হয়তো ...হয়তো ভুলেই যাবে সবাই...তারপর আবার যেই সেই অনিরাপদ সড়ত..রোজ রোজ কচি প্রাণ চাকার তলায়...আজকেও গাজীপুরে নাকি এক ছাত্রী মারা গেছে কোন এক ট্রাকের তলে...
সবই এই দ্রুতগতির যুগে দ্রুত ভোলার জিনিস... সেদিনের কোটার কথাই আর মনে পড়ে কার?

#পক্ষ-বিপক্ষ


আলোচনা: ৩/৮/২০১৮

এপাশ অার ও পাশের মধ্যে অনেক ছোট ছোট মেশিন বসানো অাছে। এ পাশটা হলো শৈশব অার ও পাশটা পরিণতকাল। মেশিনটা অাখের রস নিংড়ানোর মত।
এই যে শিশুরা লাইসেন্স ঠিকাছে কিনা দেখছে, লেইনে সারি করে গাড়ী চালানো শিখাচ্ছে, পুলিশের চা সিগারেটের বখশিশ বা ঘুষ নিতে মানা করছে... ইত্যাদি ইত্যাদি.... ( গালি জাতীয় প্লেকার্ড বা শ্লোগান কিছু যদি বেশি অশ্লীল বা অপ্রয়োজনীয় হয়েই থাকে তার দায়ভারও শিশুদের নয়, ওদেরকে অামরাই শিখিয়েছি, জন্মপূ্র্ব ওরা শিখে অাসেনি)....এগুলো অাজকে যারা পরিণত হয়ে পক্ষে, বিপক্ষে বলছে ও বলছি বা নিশ্চুপ হয়ে রয়েছে তাদের শত ভাগই শৈশবে কোন না কোনভাবে ভেবেছে-সব ঠিক করে ফেলবো... সততার শৈশবীয় নিষ্ঠায় ভুল ভালো চোখে পড়ে....
তারপর সেই মেশিনগুলো যখন পেরোবে...পরীক্ষায় জিপিএ চাপ, প্রশ্ন অাউট, অকারণ অসুস্হ প্রতিযোগিতা, ইঁদুর দৌড়, ভর্তি ও চাকুরীর মামা-চাচা-ঘুষ-তদবীর থিউরী, দলকানা অাহ্বান, যত্রতত্র ঘুষ, ভেজাল, অমীমাংসীত যত বিচার, অাইনের প্রতি কারও বুড়ো অাঙ্গুল... অার মিথ্যার বেশাতি... ইত্যাদি ইত্যাদি
মিলেমিশে মেশিন হয়ে চিপে শৈশবের গুনাবলী ছিঁবড়ে বানায় দেবে, ওপাড়ে যাবে রসহীন অথবা শুধু রস.... রস অার ছিঁবড়ে একসাথে খুব কম....
ঐ মেশিনগুলো শিশুরা ভাঙতে পারবে না... ইনফেক্ট রাস্তার রাজারাণীও বেশিদিন তারা থাকতে পারবে না, ইতোমধ্যেই চোরা হামলা, পরিণত মানুষের নানা কুটচাল শুরু হয়ে গেছে... অার রাস্তা থেকে সরে যেতেই হয় একসময়... এটাই বাস্তবতা...
কিন্তু যে শিক্ষা পরিণতকালের মানুষদের রিওয়াইনড করে গেলো, বলে গেলো "সব ভালো করে ফেলবো" ইচ্ছা টা গভীরে ছিলো হয়তো সবার...
সেই শিক্ষাটা ক'জন মনে রাখবো?

মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ইনোসেন্স অব মুসলিমস- ভায়োলেন্স এবং মিথ্যাচার ছড়ানোর এক হীন প্রচেষ্টা



‘ইনোসেন্স অব মুসলিমস’ নামের ওটা কোন চলচিত্র হতে পারেনা, ওটা একটা অপ-ডকুমেন্টারী বলা যেতে পারে। যা স্পষ্টতই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই ধারনা। আমাদের ইসলাম ধর্মের পয়গম্বর হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) কে হেয় করে বিদ্বেষ এবং সন্ত্রাস ছড়ানোই যে ঐ অপ-ডকুমেন্টারিটির উদ্দেশ্য সেটা স্পষ্ট হলো ওটার ১৪ মিনিটের ইউটিউব টেলর দেখার মত দুর্ভাগ্য হবার পর।