কোভিড মহামারীর সময় মার্চ ২০২০ থেকে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত চায়না ২২০ বিলিয়নেরও বেশি ফেস মাস্ক রপ্তানি করেছিল যা চীনের বাইরে প্রতি ব্যক্তির জন্য গড়ে প্রায় ৪০টি মাস্কের সমান।
ঐ সময় শুধুমাত্র মাস্ক রপ্তানি থেকেই চীনের আয় হয়েছে প্রায় ৩৪০ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ৫২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)।” ( source: https://medicalxpress.com/news/2021-01-china-exported-billion-masks.html)
এবার বিশ্বব্যাপাী চলমান তৈলের প্রাপ্তি ও চড়া মূল্যের সংকটে চায়নার সুযোগ এসেছে তথাকথিত উন্নত আয়ের দেশগুলোতে ইলেকট্রিক গাড়ী বিক্রি বৃদ্ধি করার।
বিগত বছর গুলোতে এমনেতেই EV (ইলেকট্রিক ভেহিকল) এবং PHEV (প্লাগ-ইন হাইব্রিড ভেহিকল) বিক্রি হতে শুরু করেছে কিন্তু জনে জনে সবার মাঝে ভাবনা প্রভাবিত হয়নি - এর মধ্যে চায়নার ইলেকট্রিক গাড়ী তৈরীর কোম্পানীগুলো ( বিশেষ করে BYD) অপেক্ষাকৃত দাম কম হওয়ায় বিশ্ব মার্কেটে দামী EV কোম্পানীগুলোকে পিঁছে ফেলে দিয়েছে sell volume এ।
যারা আগে EV নিয়ে ভাবেনি - তারা এখন ভাবছে ।
🥺( কথায় বলে না কারও “কারও সর্বনাশ, কারও পৌষমাস”) 🤥
“ইতোমধ্যেই অনেক দেশে EV (ইলেকট্রিক ভেহিকল) এবং PHEV (প্লাগ-ইন হাইব্রিড ভেহিকল) ধীরে ধীরে বাজার দখল করছে। এর পেছনে মূল কারণ হলো চীনা গাড়ির ক্রমবর্ধমান কম দাম (cost-competitiveness) এবং বিভিন্ন সরকারের দেওয়া প্রণোদনা, যা এগুলোকে আরও সাশ্রয়ী করে তুলছে।
….
গত বছরে চীনে EV ও PHEV-এর বিক্রি প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ (১২ মিলিয়ন) ইউনিটে পৌঁছেছে, যা প্রথমবারের মতো নতুন গাড়ি বিক্রির ৫০% এরও বেশি অংশ দখল করেছে।” ( source: https://www.reuters.com/markets/commodities/iran-war-fuel-crisis-gives-electric-cars-long-term-boost-2026-03-24/#:~:text=AUSTRALIA%20GROWTH,more%20of%20%E2%80%8Ban%20impact.)
“Carsales জানিয়েছে, ইরান- ইউএস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর EV (ইলেকট্রিক গাড়ি) খোঁজার হার ৭৬.৭% বেড়েছে।
Primara Research-এর এক জরিপে দেখা গেছে, এখন ২৫% অস্ট্রেলিয়ান প্রথমবারের মতো EV কেনার কথা ভাবছেন—যা সংঘাতের আগে ছিল মাত্র ৭%।
২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের মধ্যে এই হার আরও বেশি, প্রায় ৪২%।” ( source: https://dmarge.com/cars/australian-ev-sales-war#:~:text=And%20it's%20not%20happening%20where,is%20seeing%20it%20first%2Dhand)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন