পৃষ্ঠাসমূহ

সোমবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৮

অনুগল্প

( তিন্তিলী কে গানের ক্লাশে দিয়ে রিসিপশনে ৩০ মিনিট কিছু একটা লিখে সময়ক্ষেপন)
একজন মুখচোরা
--- --- --- --- --- --- ---
জনাব মৃধা ফেসবুকে ঘুরে ঘুরে খুব মজা পান। তারমত উন্নত মুখচোরা প্রজাতির জন্য ফেসবুকে ঘুরে ফিরে বেড়ানোর চেয়ে অার কোন সরব হবার উন্নত উপায় অাবিষ্কার হয়নি।

এই ঘোরাফেরার ফাঁকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া কালীন তার ব্যাচ মেট প্রতিজন নারী পুরুষকে ফ্রেন্ডলিস্টে যুক্ত করেছেন। তিনি খেয়াল করেছেন একমাত্র তার সাথেই ক্লাশের একাত্তর নারী পুরুষের সকলে যুক্ত। বাকী সবাই অাংশিক অাংশিক। অার মাধবীর সাথে তো শুধুমাত্র সে একাই এডেড। এসবের পেছনে অনেক তুচ্ছ তুচ্ছ কারণ। এসব তুচ্ছ বিষয় তিনি গভীরতা দিয়ে ভাবেন, ভেবে অবসর টুকু সার্থক হয়। ছাত্র জীবনেও তিনি শুধু ভাবতেন। চুপচাপ থাকতেন। বাকীরা দলে দলে ভাগ হয়ে গ্রুপিং করতো, অাড্ডা দিত, কেউ জোরায় জোরায় প্রেম ও করত, কারও কারও প্রেমিক প্রেমিকা বাইরে থেকে দেখা করতে অাসতো। মুখচোরা হিসেবে কেউ কেউ তাকে খেপাতোও বটে কিন্তু সবাই তাকে পছন্দও করতো। অনেকে অনেকের শত্রু ছিলো, কিন্তু তার কোন শত্রু ছিলো না। তার নীরবতাই শত্রু নিরোধ ছিলো হয়তো। ফেসবুকে প্রতিজন সহপাঠীর প্রোফাইল অার ফটো তিনি বিশ্লেষণ করেন। গবেষনা করেন। একটা জিনিস মেলাতে চেষ্টা করেন- পরিচিত অনেকের সেই সময়ের প্রেমিক প্রেমিকার চেহারার সাথে বর্তমান জীবন সঙ্গী বা সঙ্গীনির সাদৃশ্য। একটি বাদে কোনটিই মেলেনা।
সেইটিও তার স্ত্রী মাধবীর প্রোফাইলে।

13/10/2018

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন